দীর্ঘদিন পর ক্রিকেটে শামির প্রত্যাবর্তন

দীর্ঘদিন পর ক্রিকেটে শামির প্রত্যাবর্তন

দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন। যে কোনও বোলারের পক্ষে ছন্দ ধরে রাখা কঠিন। মোহম্মদ শামি কিন্তু বুঝিয়ে দিলেন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে না থাকলেও ছন্দ হারাননি। বরং লকডাউন পর্বে নিজেকে আরও ক্ষুরধার করেছেন। কোন জায়গায় রয়েছেন, আইপিএলে প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন ভারতের অন্যতম সেরা এই পেস বোলার।

কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বোলিং অনেকটাই নির্ভরশীল শামির ওপর। শেলডন কটরেল, ক্রিস জর্ডনরা থাকলেও তিনিই দলের বোলিং বিভাগের অন্যতম মুখ। টিম ম্যানেজমেন্টকে হতাশ করেননি শামি। তার দুরন্ত বোলিংয়ের জবাব ছিল না দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানদের কাছে। প্রথম স্পেলে ৩ ওভার বোলিং করে ৮ রানে ২ উইকেট। দ্বিতীয় স্পেলে আরও ১টা উইকেট। ম্যাচে ৪ ওভারে ১৫ রানে ৩ উইকেট। শামির নামের পাশে আরও একটা উইকেট যোগ হত যদি শিখর ধাওয়ানের ক্যাচ লোকেশ রাহুল তালুবন্দি করতে পারতেন। যদিও সেই বলেই রান আউট হন ধাওয়ান।

শামির দুরন্ত ছন্দের কারণ লকডাউন পর্বেও নিজেকে কঠোর অনুশীলনে ডুবিয়ে রাখা। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে উত্তরপ্রদেশে নিজের খামারবাড়িতে নিয়মিত নেট প্র‌্যাকটিস করেছিলেন সামি। তার ফল পাচ্ছেন আইপিএলে। ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে সুনীল গাভাসকার, আশিস নেহরা, ইরফান পাঠানরা সামির বোলিংয়ে মুগ্ধ। গাভাসকার বলেন, দুর্দান্ত বোলিং করছে শামি। দারুণ ছন্দে রয়েছে। এরকম বোলিং করতে শামিকে আগে কখনও দেখিনি। ওকে দেখে মনে হচ্ছে লকডাউন পর্বে দারুণ পরিশ্রম করেছে।