ঢাকা-সিলেটে পুলিশের জন্য ১১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে আবাসিক ভবন

ঢাকা-সিলেটে পুলিশের জন্য ১১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে আবাসিক ভবন

ঢাকা: বাংলাদেশ পুলিশের জন্য ঢাকার গুলশান ও সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স এলাকায় আবাসিক ভবন নির্মাণ কাজের দুটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৯ কোটি ৪ লাখ ৯০ হাজার ৪৭৬ টাকা।

বুধবার (০৪ নভেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র সভায় অনুমোদনের জন্য ৮টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। তারমধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ৪টি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ২টি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ১টি করে প্রস্তাবনা ছিল। অনুমোদিত ৮টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ৫ হাজার ৬৬৪ কোটি ৬৮ লাখ ৪ হাজার ১৯৮ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ২২৪ কোটি ২৭ লাখ ৮৫ হাজার ১২ টাকা এবং ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) ও দেশীয় ব্যাংক থেকে ঋণের পরিমাণ ৫ হাজার ৪৪০ কোটি ৪০ লাখ ১৯ হাজার ১৮৬ টাকা।

পরে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল জানান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য ৯টি আবাসিক টাওয়ার ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের একটি লটের  আওতায় সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স এলাকায় ১টি আবাসিক ভবন নির্মাণ কাজ সম্পাদনে পদ্মা অ্যাসোসিয়েট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সকে নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭০ টাকা।
প্রকল্পের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, এ প্যাকেজের আওতায় ১৫তলা আবাসিক ভবন, প্রতি তলায় ৬৫০ বর্গ ফুট বিশিষ্ট ১২টি ইউনিট, অভ্যন্তরীণ স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিকরণ, ভূ-গর্ভস্থ জলাধার, গভীর নলকূপ, পাম্প মোটর, রাস্তা, কম্পাউন্ড ড্রেন ও পিএবিএক্স সিস্টেম নির্মাণ করা হবে।

অপর একটি প্রস্তাবে ‘বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য ঢাকার গুলশান এলাকায় ২টি বেইজমেন্টসহ ১৪তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের একটি প্যাকেজের আওতায় কাজ সম্পাদনে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যৌথভাবে কাজটি পেয়েছে হোসেন কন্সট্রাকশন এবং আমানত এন্টার প্রাইজ। এতে মোট ব্যয় হবে ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ২৪ হাজার ৮০৬ টাকা।

প্রকল্পের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, এ প্যাকেজের আওতায় ২টি বেইজমেন্টসহ ১৪ তলা ভবন, ৪টি ইউনিটের প্রতিটি ২ হাজার ২০০ বর্গফুট এবং ২টি ফ্লোরে ২টি ডুপ্লেক্সসহ ৪৮টি ফ্ল্যাট অভ্যন্তরীণ রাস্তা বা পেভমেন্ট, গেটসহ সীমানা প্রাচীর, কম্পাউন্ড ড্রেন এবং গার্ড শেড নির্মাণ করা হবে।