বান্দরবানের কারখানায়ই প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে কাজু

বান্দরবানের কারখানায়ই প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে কাজু
পরিচালক তোহা চৌধুরী আরো বলেন, আমাদের এ কারখানায় এ পর্যন্ত প্রায় ৫৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং ১৫টি অত্যাধুনিক মেশিন কেনা হয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা ভালোমানের কাজু বাদাম প্যাকেট করছি। এরই মধ্যে বান্দরবান জেলা ছাড়াও চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় আমাদের কাজু বাদামের প্যাকেট বাজারজাত করেছি এবং দেশের চাহিদা মিটিয়ে লন্ডনে ৫০ কেজি কাজু বাদাম রফতানির অর্ডার পেয়েছি। যার মধ্যে আমরা প্রাথমিকভাবে ১৫ কেজি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এ কারখানায় বাছাইকৃত ও প্যাকেটজাত কাজু বাদাম দেশের অন্যান্য কারখানার চেয়ে মানে সেরা।

বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক বলেন, বান্দরবানে ২০-২৫ বছর ধরে কাজু বাদাম চাষ হয়ে থাকলেও আগে বান্দরবানে কাজুবাদামের তেমন চাহিদা ছিল না। বিগত কয়েক বছর ধরে বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় চাষিরা কাজু বাদামের বাগান বৃদ্ধি করেছেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কাজু বাদাম হয় বান্দরবানে, এটির পুষ্টিগুণও প্রচুর। আগে দেশের উৎপাদিত কাজু বাদাম গোটা অবস্থায় বিদেশে নিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে আবার বাংলাদেশে এনে বাজারে বিক্রি করতে হতো, কিন্তু এখন বান্দরবানেই এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে। উপরন্তু বিদেশে রফতানিরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, বান্দরবানে ১৭৯৭ হেক্টর জমিতে কাজু বাদাম চাষ হচ্ছে আর জেলায় দুই হাজার ৭৭৯ জন কাজু বাদাম চাষি রয়েছেন। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে জেলায় উৎপাদন হয়েছে ১৩২৩ মেট্রিক টন কাজু বাদাম।