বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে অগ্নিকান্ডে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে অগ্নিকান্ডে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মো.রানা সন্যামত বাকেরগঞ্জ:
বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে অগ্নিকাণ্ডে ইউপি চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদারের বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এতে অন্তত ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার কারন জানা যায়নি। স্থানীয় শতশত লোক পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তার আগেই পুরো ঘরটি পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান মুন্না তালুকদার ঢাকায় ছিলেন। এমনকি তার পরিবার পরিজনও বাড়িতে ছিলো না। ঘরটি খালি অবস্থায় তালাবদ্ধ ছিলো। স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ১২ টার সময় ওই বাড়ির চেয়ারম্যানের চাচী আঁখি বেগম ও তার পুত্র রাব্বি ঘরের ফ্রিজের উপর আগুন জ্বলতে দেখে দরজা ভেঙ্গে ডুকে সোফাসেট বাহির নামিয়ে রাখেন। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখায় কাঠের ঘরের চারপাশে জ্বলে যায়। আগুন জ্বলতে দেখে তারা ডাক-চিৎকার দিলে স্থানীয় শতশত লোক এসে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলাউদ্দিন মিলন পুলিশের একটি টিম নিয়ে সেখানে গিয়ে নিজে বালতি দিয়ে পানি ঢেলে ঢেলে স্থানীয় লোকজনেরসহযোগিতায় কয়েক ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। মঙ্গলবার বেলা ১ টার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধবী রায় সেখানে গিয়ে আগুনে ভস্মিভূত চেয়ারম্যানের বসতঘর পরিদর্শণ করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন।এ খবর জানতে পেরে ঢাকা থেকে মুন্না তালুকদার বেলা ৩ টার সময় নিজ বাড়িতে ছুটে আসেন। এসময় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়ে। চেয়ারম্যান মুন্না তালুকদার এলাকাবাসীকে জরিয়ে ধরে কান্না জরিত কন্ঠে বলেন, তার দাদা সাবেক চেয়ারম্যান হাসেম তালুকদারের নির্মাণ করা এ ঘরটি তাদের পরিবারের ঐতিহ্য ছিলো। তার পিতা সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার তিনিও মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এ ঘরে বসবাস করেছেন। সেই ঘরটি আজ পুড়ে বিলিন হয়ে গেছে। অগ্নিকান্ডের কারন জানতে চাইলে কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি মানবতার কণ্ঠকে বলেন, আগুন লাগার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। তবে তার ধারণা আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে টার্গেট করে তার প্রতিপক্ষরা হয়তো এ ঘটনা ঘটাতে পারে। তিনি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। প্রশাসন তদন্তপূর্বক প্রকৃত দোষীদের বিরদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।