প্রতারক তামিমা ফেঁসে যাচ্ছে জেরা করবে পুলিশ

প্রতারক তামিমা ফেঁসে যাচ্ছে জেরা করবে পুলিশ

মানবতারকণ্ঠ ডেক্স:
তালাক দেয়ার পরও পাসপোর্টে কেন ক্রিকেটার নাসির হোসেনের পত্নী পূর্বের স্বামী রাকিব হাসানের নাম লিখেছেন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। এ জন্য শিগগির তামিমাকে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতে হবে। এমনটিই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এখন পর্যন্ত গণমাধ্যমে তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক প্রসঙ্গে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তার সঙ্গে পাসপোর্টের তথ্য কোনোভাবেই মিলছে না। তিনি জানিয়েছেন, ২০১৭ সালেই স্বামী রাকিব হাসানকে তালাক দেন। কিন্তু পুলিশ বলছে, ২০১৮ সালের পাসপোর্ট আবেদনে স্বামী হিসাবে তিনি রাকিবের নামই উল্লেখ করেন।

জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি উত্তরা অফিসে পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করেন তামিমা। তার আবেদন নম্বর ২৬০২০০০০০৬৬১২০০। আবেদনে তিনি ব্যক্তিগত তথ্যের স্থানে পিতা ও মাতার নামের পর স্বামী হিসাবে রাকিব হাসানের নাম লিখেছেন। এমনকি পাসপোর্ট আবেদনে জরুরি যোগাযোগের জন্য তিনি রাকিবের নাম এবং মোবাইল নম্বরও যুক্ত করেন। ২০১৮ সালের ১১ মার্চ তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়। যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৩ সালের ৩ মার্চ পর্যন্ত।

পাসপোর্টে স্বামী হিসাবে রাকিবের নাম উল্লেখ প্রসঙ্গে নাসির-তামিমার আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফ বিন আনোয়ার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তামিমার পাসপোর্টে তথ্যের যে গরমিলের কথা বলা হচ্ছে তা এখনো আমি দেখিনি। এটা দেখার পর মন্তব্য করতে পারব। একইসঙ্গে আদালতকেও জানাতেও পারব।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ঘটা করে কেবিন ক্রু তামিমা সুলতানা তাম্মিকে বিয়ে করেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন। এরপর তামিমাকে নিজের স্ত্রী দাবি করে উত্তরা থানায় জিডি করেন রাকিব হোসেন। সন্তানসহ ফেসবুকে হাজির হয়ে তিনি দাবি করেন, তামিমা তার বৈধ স্ত্রী।

তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। এরপর প্রতারণার জন্য আদালতে তামিমা ও নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাও ঠুকে দেন রাকিব। এরই প্রেক্ষাপটে তামিমাকে নিয়ে সরাসরি সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন ক্রিকেট তারকা নাসির। প্রেম, বিয়ে এবং সাবেক স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে সব খুলে বলেন তামিমা।