ম্যান সিটিকে হারিয়ে চেলসি ফাইনালে- মানবতারকণ্ঠ

ম্যান সিটিকে হারিয়ে চেলসি ফাইনালে- মানবতারকণ্ঠ

স্পোর্টস ডেস্ক:
দুই দল এরই মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কিংবা চেলসি মুখোমুখি হতে পারবে কিনা তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগেই ১৫০ বছরের পুরনো এফএ কাপের সেমিফাইনালে দেখা হলো দুই দলের। মুখোমুখিতে জয় হয়েছে টমাস টুখেলের দলের।

শনিবার ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে চেলসি ১-০ গোলে পেপ গার্দিওয়ালার ম্যানচেস্টার সিটিকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। বিজয়ী দলের হয়ে একমাত্র জয়সূচক গোলটি এসেছে হাকিম জিয়েখের পা থেকে। ফাইনালে চেলসির প্রতিপক্ষ লেস্টার সিটি ও সাউদাম্পটনের বিজয়ী দল।

এফএ কাপের ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল আগেই বিদায় নিয়েছে। আর এবার বিদায় নিতে হলো এক মৌসুম আগের চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিকে। গতবার ফাইনালে উঠেও চেলসি ট্রফি জিততে পারেনি। এবার অবশ্য তাদের সামনে সেই সুযোগ এসেছে।

ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে বল পজেশনে দুই দল প্রায় সমানে সমান। তবে ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণে টমাস টুখেলের চেলসি। নিজেদের ডিফেন্স জমাট রেখে ম্যানচেস্টার সিটির সীমানায় বল নিয়ে গেছে একাধিকবার। কিন্তু প্রথমার্ধে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। জয়সূচক গোলটি এসেছে দ্বিতীয়ার্ধে। একপর্যায়ে গুছিয়ে উঠে পেপ গার্দিওয়ালার ম্যানচেস্টার সিটিও গোল করার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। কিন্তু চেলসির গোলকিপারকে বড় রকমের পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।

ম্যাচের প্রথমার্ধের ৬ মিনিটের সময় চেলসি আক্রমণে। টিমো ভার্নারের পাস থেকে হাকিম জিয়েখ শট জালে জড়ালেও রেফারি অফসাইডের কারণে তা বাতিল করে দেন।

১৯ মিনিটে জেমসের ডান প্রান্তের ক্রস থেকে শুন্যে থাকা অবস্থায় চিলওয়েল পা চালালেও তা দূরের পোস্ট দিয়ে যায়। ৩৪ মিনিটে জেমসের জোরালো শট হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে এবার ম্যান সিটি। তবে গোল পায়নি ইংলিশ লিগে বর্তমানে শীর্ষ থাকা দলটিও। ৪৩ মিনিটে ক্যানসেলোর ক্রস থেকে থিয়াগো সিলভা পোস্টে ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি। পরের মিনিটে ফার্নান্দিনহোর হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

গোলশুন্য ড্র দিয়ে বিরতিতে গেছে দুইদল। ড্রেসিংরুম থেকে ফিরে চেলসি ম্যাচে চালকের আসনে। ৫৪ মিনিটে হাকিম জিয়েখ গোল করে দলকে আনন্দে ভাসান। টিমো ভার্নারের স্কয়ার পাসে ফাঁকায় মরক্কোর এই ফরোয়ার্ডের লক্ষ্যভেদ করতে আর ভুল হয়নি। ভার্নারকে রুখতে গোলকিপার স্টিফেন আগেই পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন।কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেননি।

৫৯ মিনিটে অবশ্য হাকিম জিয়েখ ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। গোলকিপারের পায়ে লেগে ২-০ স্কোরলাইন হয়নি। এক গোলে পিছিয়ে থেকে পেপ গার্দিওয়ালার দল চেষ্টা করেছে ম্যাচে ফিরে আসতে। কিন্তু হার এড়াতে পারেনি।

৭০ মিনিটে কর্নার থেকে রুবেন দিয়াসের হেড ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে উড়ে যায়। এছাড়া রহিম স্টার্লিং সহ অন্যরা চেষ্টা করেছে। কিন্তু সমতাসূচক গোল আর তাদের পাওয়া হয়নি।

ইনজুরি সময়ে অবশ্য চেলসি একটি প্রচেষ্টা ম্যান সিটির জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল হয়নি।