দুর্গাপাশা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ মাসুদের বিরুদ্ধে-মানবতারকণ্ঠ

দুর্গাপাশা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ মাসুদের বিরুদ্ধে-মানবতারকণ্ঠ

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি:
বরিশাল বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপাশা ইউনিয়নের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়ম ইউপি সদস্য ৮ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার জিএম মাসুদ গাজী বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সিডুয়েল অনুযায়ী নদী ভাঙ্গনের বালি ভর্তি জিউও ব্যাগ বাসের চাং বেদে নদীতে ফেলতে হবে। ছাইট কন্টাকটারের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে জিউও ব্যাগে ড্রেজার দিয়ে মাটি ভর্তি করে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয় ।

গত ২০/০৪/২০২১ তারিখ বিভিন্ন দপ্তরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি তদন্ত টিম গঠন করেন এবং চীফ ইঞ্জিনিয়ারের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয় ও জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে বাকেরগঞ্জ থানা ভূমি সহকারী কমিশনার মো: তরিকুল ইসলাম কে অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সরোজমিনে পাঠানো হয় অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন আমি তদন্তে যা পেয়েছি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে লিখিত আকারে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে এবং বর্তমানে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

এলাকা সূত্রে আরো জানা যায় লক্ষ্মী পরধন থেকে দিঘীরপাড় লঞ্চঘাট হয়ে হাবিব খলিফার বাড়ির কোন পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার প্রদীপ চন্দ্র কাজটি পেয়েছেন তার কাছ থেকে দুর্গাপাশা ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাসুদ গাজী পিতাঃ মোঃ মোসলেম উদ্দিন গাজী সাবেক প্রধান শিক্ষক ডিজেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাসুদ এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের যুবলীগের সভাপতি বলে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে থাকেন এবং গড়ে তুলেছে মাসুদ বাহিনী।

স্থায়ী সাধারণ মানুষ শাজাহান মৃধা, জাকির জমাদ্দার, সুমন মোল্লা, সঞ্জয় কুমার পাথর, বলেন মেম্বার মাসুদ গাজী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দুই নম্বরি ব্যবসার সাথে জড়িত দুর্গাপাশা ইউনিয়নের সাধারণমানুষ অতিষ্ঠ এলাকা অসহায় দরিদ্র সাধারণ মানুষের কে অকথ্য বাসায় গালিগালাজ করে মারধর করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে ২ থেকে ৩ দিন আগে আমাদের এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন গাজী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এর অফিসে ঢুকে বর্তমান চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাশারের সামনে গালিগালাজ করে প্রাণনাশের হুমকি দেয় আরো বলে এই অফিস এখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাবি না হয় ভেঙ্গে ফেলবো বলে হুমকি দেয়।
গোপন সূত্রে আরো জানা যায় দুর্গাপাশার চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় সাপ্লাই দিয়ে থাকে অবৈধ বালুর ব্যবসা করে সরকারের ভ্যাট ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বোনে গেছে অঢেল সম্পত্তির মালিক। অবৈধভাবে ডিশের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে এই সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান এবং কিশোর গ্যাংয়ের পরিচালনাকারী মাসুদ গাজী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়না।

অভিযোগের বিষয়ে মাসুদ গাজীকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি এবং বীর মুক্তিযুদ্ধা আলতাফ হোসেন গাজী অভিযোগ করে বলেন আমার মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল অফিসে ঢুকে চেয়ারম্যানের সামনে আমাকে গালিগালাজ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় ।আমি বাকেরগঞ্জ থানার ওসি সাহেব কে অবগত করেছি ।ওর বাবা প্রবাসী দুর্গাপাশা ইউনিয়নের অনেক লোকের কাছ থেকে নদীভাঙ্গন প্রতিরোধের কথা বলে অনেক টাকা আত্মসাৎ করে । সরকারি রাস্তা প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২ লাখ টাকা বাকেরগঞ্জ নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সরকারি কোষাধক্ষ্য জমা দিয়েছে এবং আমি আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও জেলা প্রশাসক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে সঠিকভাবে তদন্ত সাপেক্ষে বিচার চাই। এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আলাউদ্দিন মিলন বলেন দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসী যতই শক্তিশালী হোক না কেন সত্যতা পেলে আইনের আওতায় নিয়ে আসব।