অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলা: এসআই আমিনুলসহ ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলা: এসআই আমিনুলসহ ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

কক্সবাজার প্রতিনিধি:
অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার ষষ্ঠ দফায় পুলিশের এসআই আমিনুল ইসলামসহ আট জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় শেষ হয়। এ নিয়ে এই মামলায় মোট ৪৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

সোমবার সাক্ষ্য দেওয়া আট জনের মধ্যে রয়েছেন– কনস্টেবল পলাশ ভট্টাচার্য, পুলিশ সদস্য আবু সালাম, হিরো মিয়া ওসালা মারমা, নবী হোসেন, আবুল কালাম ও শহীদ উদ্দিন।

এর আগে সকাল ১০টায় ওসি প্রদীপসহ এই মামলার ১৫ আসামিকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আদালতে নিয়ে আসা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম জানান, সোমবার মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলার ষষ্ঠ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। সিনহার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা পুলিশের এসআই আমিনুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। এ দিন এসআই আমিনুল ইসলাম ছাড়াও মোট ১৯ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এস আই আমিনুল ইসলাম আদালতে জবানবন্দিতে জানান, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে ঘটনার দিন তিনি কক্সবাজার সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। ওইদিন রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে ডিউটিতে যান। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন কনস্টেবল পলাশ ও শুভ। তিনি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ডোম মনু ও ধলার সহযোগিতায় মেজর সিনহার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। প্রতিবেদন তৈরির সময় মেজর সিনহার ব্যবহৃত দ্রব্য-সামগ্রীর জব্দ তালিকা তৈরি করেন। পরদিন ১ আগস্ট বিকালে রামু ক্যান্টনমেন্টের সার্জেন্ট জিয়াউর রহমান ও আনিসুর রহমানের কাছে মেজর সিনহার লাশ হস্তান্তর করি। মামলার তদন্তকালে আইওর কাছে এ ব্যাপারে জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।