গ্রামকে শহর করা নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন তারা:হানিফ তালুকদার। মানবতারকণ্ঠ

গ্রামকে শহর করা নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন তারা:হানিফ তালুকদার। মানবতারকণ্ঠ

 

মো. রানা সন্যামত:
আসন্ন দূর্গাপাশা ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের নৌকা মার্কা নিয়ে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হানিফ ভাই ইতিমধ্যে নিজের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সমর্থন ও ভালবাসা পেয়েছেন।সমাজের বিভিন্ন জনসাধারনের সাথে মত বিনিময় উঠান বৈঠক করেছেন। দূর্গাপাশা ইউনিয়নে জমে উঠেছে নৌকার প্রচার-প্রচারণা নির্বাচনী আমেজ। প্রতিটি ওয়ার্ডে রাস্তার মোড়ে, চায়ের দোকানে একটাই বিষয় নৌকার বিজয়। ইউপি নির্বাচনে অনেকে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মত বিনিময় সভা শেষ পর্যায়।
এছাড়াও নির্বাচন উপলক্ষকে সামনে রেখে নির্বাচনী নৌকার ব্যানার ও পোস্টার ছাড়া কিছুই দেখা যায় না লাগিয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপাশা ইউনিয়ন থেকে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে মোঃ হানিফ তালুকদার জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন ৫নং দূর্গাপাশা ইউনিয়নের স্বস্তরের জনগণের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে তিনি এবার প্রধানমন্ত্রী নৌকার মাঝি হিসাবে তাকে বেছে নিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালনকারী, সৎ, সাহসী, নীতি ও আদর্শবান বঙ্গবন্ধুর এক লড়াকু সৈনিক, ধার্মিক, সদা হাস্যউজ্জ্বল, বিশিষ্ট সমাজ সেবক দূর্গাপাশা ইউনিয়নে হানিফ তালুকদারের পরিবার থেকে আওয়ামী লীগের জন্মলগ্ন শুরু হয় সে একসময় তুখার ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন এবং যুবলীগের নেতা ও একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার দুর্গাপাশা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বিভিন্ন স্কুল- মসজিদ মাদ্রাসা এবং ঐতিহ্যবাহী গোবিন্দপুর বাজারের সভাপতি। দূর্গাপাশা ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডকে প্রকৃত অর্থে উন্নত, আধুনিক, শান্তি-সমৃদ্ধির আবাসস্থল হিসাবে গড়ে তুলতে তার রয়েছে দৃঢ় অঙ্গীকার আরো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন গ্রামকে শহর করা। দুর্গাপাশা ইউনিয়নের জনগনের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে এবং সর্বদা সবার পাশে থেকে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করে ইউনিয়নকে একটি অত্যাধুনিক ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। মানুষের শাষক নয়, সেবক হতে চাই। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।তিনিআরো বলেন, আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে মহামারী করোনা ভাইরাসে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে, হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করি। এইছাড়াও হ্যান্ড স্যানিটেইজার, মার্কস বিতরণ সহ স্বস্তরের জনসাধারণকে নিজের সামর্থ্য অনুসারে দলীয় নেতাকর্মীদেরকে সার্বিক সহযোগিতায় করি। ভবিষ্যতেও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা করে ইউনিয়নকে অব্যাহত রাখতে চাই এবং সকলের প্রতি যতটুকু সম্ভব সাহায্যে সহযোগিতা করার জন্য আমার প্রচেষ্টার কোন কমতি নেই, থাকবে না।তিনি বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে মানুষের কল্যাণ সবসময় কাজ করা সম্ভব। সর্বাত্মকভাবে সমাজের সেবা করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিকল্প নাই। বিশেষ করে সরকারী সহযোগিতা তৃণমূলের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন করা সম্ভব হয়। তাই আসন্ন ৫নং দূর্গাপাশা ইউনিয়নের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আমি এলাকায় কাজ করছি ।।।।।।। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন নিজের বিবেককে বিক্রি করবেন না!
কোন পাল্টিবাজ আপনার আমার জন্য মঙ্গল হতে পারেনা।মনে মনে রাখবেন-
শিক্ষিত ও ভালো মানুষ নির্বাচনমূখী হলে একটি সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য
অতএব,২৬ তারিখ সারাদিন নৌকা মার্কায় ভোট দিন।আমি আছি উন্নয়নের প্রতিক নৌকার মার্কা নিয়ে সাথে,আপনিও আসেন= (যাহাতে সুন্দর সমাজ উপহার দিতে পারি পরবর্তী প্রজন্মের হাতে)আমি নৌকা মার্কার পক্ষে থাকবো প্রানের গ্রামটি মাদক কারবারির হাত থেকে রক্ষা করতে।আমি নৌকা মার্কার পক্ষে থাকবো আমার গ্রামের গরীব জেলের টাকা আত্মসাৎকারী থেকে রক্ষা করতে।আমি নৌকা মার্কার পক্ষে থাকবো উন্নয়নের টাকা দূর্নীতি করায় ফেরৎ দিয়ে দিয়েছেন তা ফিরিয়ে আনতে।আমি নৌকার পক্ষে থাকবো বিগত দূর্নীতি অনিয়ম কে খুঁজে বের করতে।আমি নৌকা মার্কার পক্ষে থাকবো যাঁরা আমার গ্রামের অসহায় মানুষের সার্থ বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন তাদের হাত থেকে রক্ষা করতে।