বাউফলে বঙ্গবন্ধুর জন্ম বার্ষিকীতে পুলিশের বাধা। মানবতারকণ্ঠ

বাউফলে বঙ্গবন্ধুর জন্ম বার্ষিকীতে পুলিশের বাধা। মানবতারকণ্ঠ

সাইফুল ইসলাম খোকন।
জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নির্ধারিত কর্মসূচি পুলিশি বাঁধার মুুখে পরে ভেস্তে গেছে। বাউফল উপজেলার ত্রিমুখী আওয়ামীলীগের সংঘাত ও আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে কিছু কর্মসূচিতে বাঁধা দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার জানান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকল আট ঘটিকা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত চার দফায় দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্য দান, উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য দান ও আনন্দ র‌্যালী হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উপজেলা পরিষদ থেকে আমার সঙ্গীয় দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্য দান করার লক্ষ্যে বেড় হলো উপজেলা প্রশাসন বাঁধা দেয়। এর আগে স্থানীয় সাংসদ আসম ফিরোজ দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতি কৃতিতে মাল্য দান শেষে দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনে অবস্থান করেন। সেখানে নেতা কর্মীদের নিয়ে যাইতে চাইলে বাঁধা প্রদান করেন উপজেলা প্রশাসনের কমর্কতা ও পুলিশ সদস্যগন। আসম ফিরোজ জনতা ভবন ত্যাগ করলে সকাল ১০টায় মিছিল নিয়ে জনতা ভবনে যাই এবং দলীয় কার্যালয় তালাবদ্ধ করে রাখায় আনন্দ মিছিলটি নিয়ে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এসে জনসভা করি। জনসভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার, দাশপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এনএম জাহাঙ্গীর হোসেন ও মদনপুরা ইউপি চেয়ারম্যান মস্তফা মিয়া। বাউফল থানা অফিসার ইনচার্জ আল মামুন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে তিন গ্রæপের কর্মসূচি পালন করতে দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য বাউফল উপজেলা ত্রিমুখী আওয়ামীলীগের একটি অংশের নেতৃত্ব দেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েল, অপরটির নেতৃত্ব দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আসম ফিরোজ ও সম্প্রতি আরেকটি অংশের নেতৃত্ব দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার।