বরিশালে নৌ পথে সংঘর্ষে আহত ৭। মানবতারকণ্ঠ

বরিশালে নৌ পথে সংঘর্ষে আহত ৭। মানবতারকণ্ঠ

বরিশাল অফিস।
বরিশালে রাতের আঁধারে স্পিডবোট যোগে ইলিশ মাছ পাচারের সময় মাঝ নদীতে গত(২৭ মার্চ রবিবার) ভোর আনুমানিক পাঁচটা দিকে ভোলা থেকে স্পিডবোট যোগে বরিশালে ইলিশ পাচারের সময় লাহারহাট ফেরীঘাটের উত্তর পাশে সেলিম হাওলাদারের বাড়ীর সামনে কড়ইতলা নদীতে ট্রলারের সাথে স্পিড বোডের সংঘর্ষ হয় এ সময় ৭ জন ব্যাক্তি গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের  উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল হালিম বলেন, আমি খুব সকাল এ ঘুম থেকে উঠে নামাজ আদায় করার জন্য রহনা দিয়েছি তখন হঠাৎ করে বড় একটা শব্দ শুনতে পাইলাম আমি দৌড়ে  নদীর কাছে গিয়ে দেখতে পাই। ভোলা ভেদুরিয়া ঘাটের একটি স্পিডবোট অতিরিক্ত গতিতে বরিশালের দিকে যাওয়ার পথে অন্য দিক থেকে আসা একটি ট্রলারের সাথে সংঘর্ষ হয়। স্পিড বোট চালকসহ আরো অনেক এ ডাক চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে ৭ জনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভেদুরিয়া গ্রামের স্পিড বোট লাইন ইনচার্জ  মোঃ নাজিম হোসেন বলেন, স্পিড বোড চালক ইব্রাহিম রাতে এখানের ঘাট  বোড নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্য  যায়, তখন আমরা এই  ঘাটে ছিলাম না। এখানের স্পিড বোট মালিক ও চালকদের নিষেধ করে আগে থেকেই বলে দিয়েছেন, সন্ধ্যা ছয়টার পড়ে আর কোন স্পিড বোট  নদীতে চলাচল করতে পারবে না।  তবে সেই আইন অমান্য করে এখন যদি কেউ নিজের ইচ্ছা মতো স্পিড বোট চালিয়ে দূর্ঘটা ঘটায় তার দায়ী সে নিজেই।

স্পিড বোট মালিক মোঃ শাহজাহান মিরা এক সাক্ষাৎকার এ  মুঠোফোনে জানান, রাতের আঁধারে ইলিশ মাছ নিয়ে বরিশাল যাওয়ার পথে দূর্ঘটনা ঘটছে তবে স্পিডবোটের মালিক আমি চালক ইব্রাহিম সে আমার কাছে কিছু না বলে বরিশালে মাছ নিয়ে গেছে আমি তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিবো।

লাহারহাট বি আই ডব্লিউ টিএ এর ঘাট ইজারাদার মোঃ ইলিয়াস খান (রাসেল) জানান, স্থানীয় এক প্রভাবশালীদের স্পিড বোট এই গুলো তাদের নিষেধ করা হলেও তারা আইন  মানছে না।

এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি আমরা শুনছি, নৌ পুলিশকে জানানো হয়েছে, যেহেতু নৌ পথে দুর্ঘটনায় ঘটছে তাই এটা নৌ পুলিশ তদন্ত  করবে ব্যবস্থা নিবেন।

বরিশাল নদী বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হাসনাতুজ্জামান বলেন, আমরা এ ধরণের কোনো দূর্ঘটনা বা আহত বিষয়ে আমার জানা নেই, তবে আইন অমান্য করে যদি কেউ রাতে এমন কাজ করে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।