বাকেরগঞ্জে বিভিন্ন মাদ্রাসার নির্বাচনে ডিউলেটারে এডহক কমিটি করার অভিযোগ উঠেছে

বাকেরগঞ্জে বিভিন্ন মাদ্রাসার নির্বাচনে ডিউলেটারে এডহক কমিটি করার অভিযোগ উঠেছে

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধ।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৭ নং কবাই ইউনিয়নের খোদাবক্সকাঠী গ্রামের নেছারীয়া আলিম মাদ্রাসার অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ একজন অযোগ্য লোককে এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করার অভিযোগ উঠেছে। স্থায়ী সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় এমপি’র পিএস ডিউলেটারের মাধ্যমে বাণিজ্য করে বিভিন্ন লোকের কাছথেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে অযোগ্য লোকদেরকে ডিউলেটার দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অরজকতা সৃষ্টি করেছেন। উপজেলার ৭ নং কবাই ইউনিয়নের লক্ষীপাশা আলিম মাদ্রাসার নির্বাচনে এমপি’র ডিউলেটার দিয়ে মনিরুজ্জামান সভাপতি হয়ে ছিলেন। যা বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ আদালত অবৈধ ঘোষণা করেন। পুনরায় একই ব্যক্তি এমপি’র ডিউলেটার দিয়ে খোদাবক্সকাঠী নেছারীয়া আলিম মাদ্রাসার সভাপতি নির্বাচিত হাওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং এলাকার সাধারণ জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবাদ করেছেন। এদিকে এভাবে অযোগ্য লোককে অবৈধভাবে এডহক কমিটির সভাপতি করায় এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি তোফায়েল হোসেন রিপন ফরাজী অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসায় যদি অযোগ্য লোককে এডহক কমিটির সভাপতি করায় মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে। এছাড়াও মাদ্রাসার সকল উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হতে পারে। এই এডহক কমিটি বাতিল করে পুনরায় নতুন কমিটি করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন আমি সংশ্লিষ্ট থানার এমপি’র কাছে ডিউলেটরের জন্য গিয়েছিলাম এমপি নিজে বলে দেওয়ার পর তার পিএস ডিউলেটার দেননি। বাকেরগঞ্জ উপজেলার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন আমরা এমপি,র পি এস এর জন্য দলীয় কোন সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতে পারছি না কারণ আমরা কোন কাজের বিনিময় এবং কোন কাজের জন্য ডিউলেটার আনতে হলে এমপি,র পিএসকে টাকা পয়সা না দিলে ডিউলেটার পাওয়া যায় না।আমাদের কোন মূল্যায়ন হয় না। অবহেলিত জাতীয় পার্টি নেতাকর্মীরা অসহায় হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য সুশীল সমাজের এবং জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীরা।আরো বলেন এমপি,র পিএস অসহায় দরিদ্র পরিবারের সন্তান হলে এমপি,র পিএস হিসাবে কয়েক বছর কর্মরত থাকার কারণে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এবং অনেক অর্থের মালিক বুনে গেছেন। দুর্নীতি দমন দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে অনেক সম্পদের চাঞ্চল্যকর তথ্য। পিএস এর বিষয় এমপি কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন কোন অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয় পিএসকে একাধিকবার ফোন করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।