ভূমি সংস্কার বোর্ডের ড্রাইভার রিপন আলী জিরো থেকে হিরো দেখার কেউ নেই

ভূমি সংস্কার বোর্ডের ড্রাইভার রিপন আলী জিরো থেকে হিরো দেখার কেউ নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি।
ঢাকা: মতিঝিল ভূমি সংস্কার বোর্ডে লিজ রিপন আলী নামে পরিচিত এবং কখনো হয়ে যায় বোর্ডের বড় কর্মকর্তা ও বোর্ডের চেয়ারম্যান সাহেবের পিএস পরিচয় প্রতারণা করে অনেক অর্থ সম্পদের মালিক বুনে গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় রিপন আলীর বাড়ি রাজশাহীতে পিতা জাকির হোসেন, ভুমি সংস্কার বোর্ডের সদস্য ম্যাডামের গাড়ি চালক। পুরান ঢাকার কোতয়ালী থানার,৬ নং ওয়াইজঘাট র‌্যাংকিং হাউজে বসবাস করে- জামাতের অন্যতম সদস্য এবং অর্থ যোগানদাতা ৷

এই রিপন আলীর বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি সংস্কার বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করা হলে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে ভুক্তভোগী সেলিম এই কথা বলেন কালো টাকার জোরে পার পেয়ে যাচ্ছে বলে আরো জানান প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে জিরো ডলারেন্স ঘোষণা করেছেন৷ কিন্তু রিপন আলীর খুঁটির জোর কোথায় খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে গিয়ে জানা যায়।ঢাকা কোতয়ালী ৬ নং ওয়াইজঘাট র‌্যাংকিং হাউজ ভূমি সংস্কার করে জায়গা রয়েছে নামে বে নামে ঘরেছে সম্পদের পাহাড়।রিপন আলী-২০০৭ সালে ভূমি সংস্কার বোর্ডে ড্রাইভার হিসেবে যোগদান করেন। ওই সময় তাঁর মাসিক বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা, এখন বর্তমানবেতন ২০ হাজার টাকা। তাঁর বিভিন্ন জায়গায় – ঢাকা ওইয়াজঘাট র‌্যাংকিং হাউজে নামে বে নামে ৩ টি প্লট, সাভার আখ পারা( ২) টি প্লট, ভুমি সংস্কার বোর্ডের জমি লিজ নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া রিপনের কাজ ৷ বরিশাল নিউ ভাটিখানা ৪ নম্বর সেক্টরে, চারটি প্লট রয়েছে যার মূল্য-আনুমানিক এক কোটি টাকা।মুন্সীগঞ্জ জেলার চান্দেরচর, ৫২ শতাংশ জমি নামে বেনামে রয়েছে যার মূল্য ৩ কোটি টাকা আরো জানা যায়,রিপনের মাসিক খরচ এক লক্ষ টাকা- অনুসন্ধানে আরো জানা যায় রিপন আলীর ছেলে(১) শাওন আলী ছাএদলের সক্রিয় কর্মী ও কিশোরগ্যাংএর অন্যতম সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি ফেসবুকে ব্যঙ্গচিত্র পোস্ট করার অপরাধে শাওন আলী বিরুদ্ধে মামলা নং ( ৩৮) মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২২ তারিখ গ্রেফতার করে কোতয়ালী থানা পুলিশ। আরো এলাকা সূত্রে জানা যায়,২০১১ সালে গাড়ীর ব্যবসা শুরু করে, কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই ব্যবসাও রাখতে পারেনি নিজের নামে ২০১৫ সালের পরে, এই রিপন আলীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে, সাময়িক বরখাস্ত হয় ৷ এরপর অঢেল টাকা ছরিয়ে ছিটিয়ে পুনরায় চাকরি ফিরে পায়, গাড়ির ব্যবসা নিয়ে যায় নামে বেনামে।সচিবালার সূত্রে যানা যায় ৷ এই রিপন আলী আলোচিত ভূমিদস্যু কুতুব আলীর একান্ত সহযোগী৷
বিভিন্ন ভুক্তভোগীরা , এই রিপন আলীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শীর্ষ মহলের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ৷এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে রিপন আলীর মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।